• দীপাঞ্জন মাইতি

নগ্নতা

নাগরিক নির্জনে নিশ্চুপ নগ্নতা, মানবিক মানসিক মতিহীন মগ্নতা, কারো মতে শিল্প – কারো মতে অশ্লীল, কারো কারো বর্ণনা আগাগোড়া শুধু নীল; তারা সব আধুনিক, সব তারা চাতক, তারা সেই 'সব চাই', সব সেই চেনা জানা বাঁধাগত, মৃতপ্রায় আর্টকলেজের শিল্পপ্রেমী স্নাতক;

প্রতি রোজে বাঁচা খোঁজে - খোঁজে কিছু পথ কিছু সৎ। অচেনা দাগ বয়ে বেড়ায় কাগজের গায়ে কিছু অপরিকল্পিত ভাঁজ, সততার ঠিকানা সদ্যজাত নগ্ন নবজাতকের সাজ।

নির্জন নির্বাসে মননের দূতাবাস, আঁচড়ের আল্পনা শারীরিক সন্ত্রাস, চোখ ঢাকে পর্দা - লেন্স তবু কথা বলে, সাঁঝ-বেশে বেলাশেষে আলোটুকু যায় চলে; অসামঞ্জস্য রোজ রোজ দিনলিপি জোড়া, মাথা নিচু চাপা কিছু – রয়ে যায় শৈশবী সহবত, ব্যর্থতাগুলো থেকে যায় আক্ষেপে মোড়া, ক্ষণে ক্ষণে গড়ে ওঠে ক্ষণে ক্ষণে পাল্টাতে চায় মত; অচেনা দাগ বয়ে বেড়ায় কাগজের গায়ে কিছু অপরিকল্পিত ভাঁজ, সততার ঠিকানা সদ্যজাত নগ্ন নবজাতকের সাজ।

চারদিকে সব জানা সব্বাই বিচারক, কারো কারো পেশা কারো কারো শখ, রাখছে না ঢাকছে না - আর কোনো আবরণ, অন্তর্নিহিতে বাস্তবিকতায় তারা অতি সাধারণ... প্রতি চোখ প্রতি ভ্রূ যেন শত সহস্র, কিছু চোখ গিলতে আসে কিছু চেয়ে থাকে আড়ে তাড়ে, তুলির টানে সত্যির আঁচড়ে আহত অজস্র, সমাজের রক্ষক সীমা মেনে বারে বারে তাক করে চুপিসারে, অচেনা দাগ বয়ে বেড়ায় কাগজের গায়ে কিছু অপরিকল্পিত ভাঁজ, সততার ঠিকানা সদ্যজাত নগ্ন নবজাতকের সাজ।

নীড়বাসনা আষাঢ় ১৪২৮