• শর্মিষ্ঠা বসু

গল্প - অন্য ভারতবর্ষ

[১]


গাড়ী থেকে নেমে পড়েছে দীপ আর বিতান। এতক্ষণ মাখন মসৃণ রাস্তা দিয়ে ছুটছিল গাড়ী। চোখের সামনে ছায়াছবির মতো মিলিয়ে যাচ্ছিল সবুজ ক্যানভাস, আকাশে ভেসে থাকা দু এক টুকরো মেঘ আর মেঘে ভেজা বুনোফুলের ঝোপঝাড়! কিন্তু আর নয়, এবার প্রায় তিন চার ঘণ্টা পাহাড় আর জঙ্গলের পথ ধরে হাঁটা। হিসেব মতো মুড়োই পৌঁছতে বারোটা বেজে যাবে। এখানে এখনো বৃষ্টি চলছে তবে ভোরের সূর্য মেঘের ওড়না সরিয়ে উঁকি মারছে ক্ষণে ক্ষণে। মুগ্ধ হয়ে চারপাশে তাকাচ্ছিল দীপ। এবড়ো খেবড়ো রাস্তায় অনভ্যস্ত পায়ে হাঁটছিল ওরা। বিতান অবশ্য এর আগেও বহুবার এসেছে মুড়োই গ্রামে, তবে দীপের এই প্রথমবার। কেমন যেন একটা রোমাঞ্চ হচ্ছিল ওর। চারপাশে ফুটে থাকা অজস্র বুনোফুলের উজ্জ্বল রং, চঞ্চল প্রজাপতির ইতিউতি ওড়া আর অচেনা পাখির গান শুনতে শুনতে মনটা ভালো হয়ে যাচ্ছিল ওর। পূব আকাশে সূর্যের লাল আলো ছড়িয়ে পড়ছে ধীরে ধীরে, আপন মনে বয়ে চলেছে নাম না জানা পাহাড়ি নদী। দীপ আর বিতান হাঁটার গতি বাড়াল। মুড়োই পৌঁছতে অনেক দেরী হয়ে যাবে না হলে।


চারদিকে ফুটে থাকা বুনোফুলের গন্ধটা প্রাণ ভরে উপভোগ করছিল দীপ। শিলং এ বিতানের কাছে বেড়াতে আসার পরিকল্পনাটা বহুদিনের, কিন্তু আর হয়ে উঠছিল কোথায়? রোজকার ছকে বাঁধা জীবন, চেনা মুখ, চেনা রাস্তা, সব কিছু থেকে পালিয়ে একটু প্রাণ ভরে নিশ্বাস নিতে চাইছিল সে। বিতানের ফোনটা তাই দীপের হারিয়ে যাওয়ার ইচ্ছেটাকে নতুন করে উসকে দিল। আর বিতানের ইচ্ছেতেই আজ তারা দুই বন্ধু চলেছে মেঘালয়ের এই প্রত্যন্ত গ্রামে। বাংলাদেশের খুব কাছে সেই গ্রাম, নাম মুড়োই।


পাহাড়ি রাস্তার দুধারে অজস্র কমলালেবুর গাছ। এখন গাছে কমলালেবু নেই বটে তবে সোনালী রঙের কমলাফুলের সৌরভে চারদিক মাতোয়ারা। মনটা কেমন যেন উদাস হয়ে যাচ্ছিল দীপের। ঠিক এমনই একটা ছুটি চাইছিল সে। নিজেকে খুঁজে পেতে চাইছিল একটু অন্যভাবে। আকাশে এখন রঙের খেলা চলছে। রোদের রং কখনও কুসুম কুসুম, কখনো কাঁচাহলুদ। চারপাশে গাঢ় সবুজের স্নিগ্ধতা আর রং বদলানো রোদের খেলা দেখতে দেখতে হাঁটার ক্লান্তি বোধটাই হারিয়ে গেছে দীপের। দূরে ঐ লেবুগাছের ডালে ধ্যান মগ্ন এক সাতরঙা পাখির দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল দীপ। রামধনুর সবটুকু রং শুষে যেন মেখে নিয়েছে নিজের গায়ে। পাহাড়ি রাস্তা ধরে আগে হেঁটে চলেছে বিতান আর তার প্রদর্শিত পথে দীপ হাঁটছে পেছনে। নাম না জানা অগুনতি ফুলের গন্ধ, অচেনা পাখির ডাক আর গাছপালায় মোড়া রাস্তাটায় দাঁড়িয়ে বেশ বড় করে শ্বাস নিলো দীপ। আঃ, কি শান্তি!




[২]


“পরণাম বাবু, বহুদিন পরে আলেন। আসেন দেহি, বসেন আমার ঘরে!” গলার আওয়াজ শুনে চমকে তাকাল দীপ। মেঘালয়ের এই গ্রামে বাংলা ভাষা শুনে কিছুটা চমকেছে বইকি! হঠাৎ মাটি ফুঁড়ে যেন উদয় হয়েছে লোকটা। দীপ ভালো করে দেখল লোকটাকে। কতই বা বয়স হবে? খুব জোর বছর তিরিশ। ছোটখাটো, ক্ষয়াটে, শ্রীহীন চেহারা। বিতান এগিয়ে গেল। কাঁধে হাত রেখে বলল, “কেমন আছো নোলান?” নোলান হাসল, ক্ষয়ে যাওয়া দাঁতের ফাঁকে ক্লান্তির হাসি, দুঃখীর হাসি।


সেইদিন সেই মুহূর্ত থেকে কথা বন্ধ হয়ে গেল দেলার। নোলান ক্রমশ বুঝতে পারছিল তার আশঙ্কা অমূলক নয়। দেলা কে একটু জল খাওয়ানোর প্রাণপণ চেষ্টা করছিল নোলান। কিন্তু ক্লান্তি তে মুখ বন্ধ করে ফেলছিল দেলা। জলটুকু খাওয়ার শক্তি ছিল না ওর। অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল নোলানের দিকে, অসহায় সেই দৃষ্টি। দু চোখ দিয়ে জল পড়ছে অবিরত। ও হয়ত বা কৃতজ্ঞতার অশ্রু, হয়তো বা আনন্দের। তার প্রাণের মূল্য এতখানি নোলানের কাছে? এই উপলব্ধিতে হয়ত শান্তি অনুভব করছিল দেলা। খানিকক্ষণ পরে দুচোখ বুজল দেলা। পরম শান্তিতে ঘুমিয়ে পড়ল গাঢ় নিশ্চিত চিরনিদ্রায়। স্থির দৃষ্টিতে দেলা কে দেখছিল নোলান। এই রুগ্ন, কঙ্কালসার দেলা কে দেখে ছেলেবেলার সেই প্রাণ চঞ্চল কিশোরীটিকে খুঁজে পাওয়া বড় কঠিন। তবু আলোড়িত হচ্ছিল নোলানের মন। চোখের সামনে ছবির মত ভাসছিল তার শৈশবের, কৈশোরের আর যৌবনের অজস্র স্মৃতি। দু বছরের দাম্পত্যের প্রাণোচ্ছল দিনগুলো সব একসঙ্গে এসে ভিড় করছিল নোলানের মনে। শুধু মাঝে মাঝে কানে বাজছিল সন্তানসম্ভবা দেলার যন্ত্রণাকাতর কণ্ঠস্বর। এ গ্রামে হাসপাতাল দূরের কথা, ছোটখাটো স্বাস্থ্যকেন্দ্র পর্যন্ত নেই। মুড়োই থেকে যে রাস্তা শিলং এর দিকে চলে গেছে সে রাস্তা দিয়ে শিলং পৌঁছতে কমপক্ষে ছয় সাত ঘণ্টা লেগে যাবে। এর থেকে কানাই গঞ্জ সদর হাসপাতাল অনেক কাছে। সারারাত ধরে সেই ব্যবস্থাই করেছে নোলান। পরদিন ভোর হতে না হতেই বাঁশের খাটিয়ায় দেলাকে চাপিয়ে সীমান্ত রক্ষীদের নজর এড়িয়ে দেলাকে নিয়ে গেছে কানাইগঞ্জ সদর হাসপাতালে। বাংলাদেশের কানাইগঞ্জ সদর হাসপাতাল মুড়োই গ্রামের একমাত্র আশা ভরসার জায়গা। কাঁটাতারের বেড়া এড়িয়ে, কোন নিয়মের তোয়াক্কা না করে এ গ্রামের অনেক মানুষ ই বাংলাদেশে ছোটে একটু চিকিৎসার আশায়।


পরম শান্তিতে ঘুমিয়ে আছে দেলা, আর ভয়ঙ্কর আক্রোশ কুরে কুরে খাচ্ছে নোলানকে। পরাজয়ের গ্লানি, সব থেকে কাছের মানুষ কে চিরতরে হারানোর যন্ত্রণায় পাগল পাগল লাগছে তার। দু চোখ ছাপিয়ে ওঠা জল সামলে দেলার কাছে এসে দাঁড়ায় নোলান। মাথায় হাত বোলায় দেলার, পরম যত্নে, পরম স্নেহে। কঙ্কালসার চেহারাটার দিকে অপলকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে নোলানের মনে হয় এখনও দেলার বন্ধ ঠোঁটের কোণায় অবিকৃত রয়েছে সেই নির্মল হাসি।


কলা গাছের বেড়া দেওয়া নোলানের টিনের চালের ঘরে বসে দেলার কথা শুনছিল দীপ আর বিতান। এতক্ষণ কথা বলার পর হাঁপায় নোলান। শ্বাস নেয় জোরে, জোরে, তারপর ডুকরে কেপে ওঠে হঠাৎ। টিনের দরজায় মাথা ঠোকে নোলান, চীৎকার করে ওঠে জোরে, “মেলা চেষ্টা করলাম বাবু, বাঁচাইতে পারলাম না”। দুচোখ বেয়ে অবিরত অশ্রুধারা, বাকরুদ্ধ হয়ে নোলান কে দেখে দীপ। নোলানের ভালোবাসার যন্ত্রণা, হাহাকার মিশে যায় বন্য নির্জনতায়। দেলাকে যেন মানসচক্ষে দেখতে পায় দীপ। রূপকথার এক দুঃখিনী রানী হয়ে ওঠে এই দেলা। বড় চেনা লাগে তার এই অচেনা নারীকে। মন্থর পায়ে নোলানের বাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসে দীপ। আবেগে তার দুচোখ ঝাপসা হয়ে আসে।



[৩]


ফুলাইএর দাওয়ায় বয়ে বিড়ি খাচ্ছিল সাদেক মিঞা। গেলাসে জল এনে সাদেক মিঞার হাতে দেয় ফুলাই। ঢকঢক করে গলায় জল ঢালে সাদেক। রৌদ্র তপ্ত দিনে দীর্ঘ পথ-পরিক্রমার ক্লান্তি মেটায় এই হিমশীতল জল পান করে। জল খেয়ে গেলাসটা পাশে রাখে সাদেক। পাশে দাঁড়ানো ফুলাই কাপড় গোছায় ব্যস্ত হাতে। ওপাড় থেকে কাপড়, জামা নিয়ে আসে সাদেক, ক্ষয়ে যাওয়া নিপুণ হাতে তাতে সূচের কাজ করে ফুলাই। ঘোলাটে চোখ আর ক্ষয়ে যাওয়া হাতের ছোঁয়ায় কাপড়ের জমির ওপর ফুটিয়ে তোলে অপূর্ব সব নকশা। সুতোর টানাপোড়েনে কাপড়ের জমিতে ফুটে ওঠে লতা, পাতা, ফুল, শঙ্খ। ফুলাইয়ের হাতের কাজের খুব দাম ওপাড়ের সদর বাজারে।

সাদেক মিঞা ফি হপ্তা কাপড় চোপড় দিয়ে যায় ফুলাইকে। ক্ষেতের কাজ সেরে দক্ষ হাতে সুচে সুতো ভরে ফুলাই। একমনে নকশা তোলে লাল, নীল, সবুজ কাপড়ের জমিতে। কাপড় গুনে ঝোলায় ভরে সাদেক মিঞা। মন দিয়ে টাকা গোনে ফুলাই। মেহনতের টাকার হিসেব মেলায়। মুড়াই গ্রামের লেনদেন সব বাংলাদেশের টাকাতেই চলে। আর ভারতবর্ষের সীমান্তবর্তী এই গ্রামে সব লেনদেনই চলে বাংলাদেশের সঙ্গে। আধুনিক দুনিয়ার প্রগতিশীল মানুষেরা জানেন না এদের কথা। এদের খোঁজ রাখা বড় কঠিন। আর এদের সবার জীবনকাহিনী একই রকম, নিরন্তর জীবন সংগ্রামের কাহিনী, মারাত্মক শূন্যতা আর ভয়াবহ হাহাকারের কাহিনী। এদের কারো জীবনে আনন্দের কোন অবকাশ নেই, অথচ কি অফুরান এদের জীবনীশক্তি। কাপড়ের ঝোলা কাঁধে নিয়ে উঠে দাঁড়ায় সাদেক মিঞা। পরম যত্নে ফুলাইয়ের বানিয়ে দেওয়া পানের খিলি মুখে দেয় সে, তারপর হাঁটতে থাকে অতি সন্তর্পণে। দাওয়ায় দাঁড়িয়ে ফুলাই দেখে, মানুষটা মিলিয়ে যাচ্ছে এবড়ো খেবড়ো রাস্তা ধরে, ঘন গাছপালার মধ্যে দিয়ে। বেশ কিছুটা এগিয়ে গেলে কাঁটাতারের গেট, সেটা পেরোলেই ওয়াচ টাওয়ার। ঘাড় নিচু করে ওয়াচ টাওয়ারের দিকে তাকায় সাদেক মিঞা। একটু নজরে পড়লেই গুলির ফোয়ারা ছুটবে সেখান থেকে। দাওয়ায় দাঁড়ানো ফুলাই দুহাত কপালে ঠেকায়, সাদেক মিঞার কথা ভেবে। অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে দীপ। কাঁটাতারের বেড়া, নিরাপত্তারক্ষীদের রক্তচক্ষু আলাদা করতে পারেনি দুই দেশকে। সুখে দুঃখে তাই সাদেক মিঞারা বারে বারে এসে এসে দাঁড়ায় ফুলাইদের পাশে। জাত ধর্মের সব ভেদাভেদ মুঝে যায় এখানে, এ যেন এক অন্য ভারতবর্ষ।



[৪]


আঁধার নামছে মুড়াইতে। গাঢ়, ঘন, নির্জন অন্ধকার। ঘরের দাওয়ায় মাদুর বেছায় সাতষট্টি বছরের লখানী। গ্রাম প্রধান আজ তার ঘরের দাওয়ায় শহরের বাবুদের রাতে থাকার ব্যবস্থা করেছেন। ঘরের কোণায় টিমটিম করে জ্বলে মাটির প্রদীপ। লখানী সেদিকে তাকিয়ে থাকে আনমনা হয়ে। তার দুচোখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ে শোকাশ্রু। এই কান্না লখানীর নিত্য দিনের সঙ্গী। অনন্ত কাল ধরে চলবে সেই কান্না। বুকের ক্ষতটা কিছুতে শুকায় না যে! সেই রাতটা ছিল ঝড়জলের রাত। হঠাৎ মাঝরাতে কাশির দমক এলো বুড়োর। মালিশ করতে করতেই লখানী টের পেল কেমন ঠাণ্ডা, নিথর হয়ে যাচ্ছে বুড়োর দেহটা। ছেলেদুটো তখন অঘোরে ঘুমোচ্ছিল ঘরে। লখানী ডেকে তুলল তাদের। মুড়াই গ্রামে এভাবেই আসে মৃত্যু। বুক চাপড়িয়ে হঠাৎ কেঁদে ওঠে লখানী। দুহাতে মুখ ঢাকে দীপ আর বিতান। এ তো স্বাভাবিক মৃত্যুর সহজ শোকপ্রকাশ নয়। পরপর দুই সন্তান কে অকালে হারিয়েছে লখানী। দুজনেই চলে গেছে নাম না জানা কোন অসুখে। কাঁটাতার পেরিয়ে বাংলাদেশের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সাহস, শক্তি বা ক্ষমতা কোনটাই ছিল না লখানীর। আজও প্রতিনিয়ত তাকে তাড়া করে বেড়ায় সেইসব ভয়াবহ রাতের স্মৃতি। কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে লখানী। নির্বাক হয়ে তাকিয়ে থাকে দীপ আর বিতান। সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা খুঁজে পায় না ওরা। হিমেল হাওয়ায় পাশে রাখা প্রদীপের আলো জ্বলছে মৃদু, মৃদু, কাঁপছে অন্ধকার!



[৫]


রাতের অন্ধকারে আকাশের দিকে তাকিয়েছিল দীপ। মাথার ওপর নির্মল আকাশে অগণিত নক্ষত্রের মায়াবী আলোর ওড়না। একটু দূরেই ভারত বাংলাদেশের সীমান্ত। সেদিকেই তাকায় সে। মনের গভীরে চলছে আলোড়ন, চলছে সীমাহীন প্রশ্নের আনাগোনা। হাজার তারার আকাশ দেখতে দেখতে সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বেড়ায় দীপ। আজ এক নতুন ভারত বর্ষের সন্ধান পেয়েছে সে। অচেনা, অজানা এক ভারতবর্ষ। কেন জানেনা, তবে আজ দীপের বড় কাছের মনে হল সেই গ্রামের মানুষগুলোকে। চারদিকে নিকষ কালো অন্ধকার, নির্জন রাতে মাঝে মাঝে শোনা যাচ্ছে রাত জাগা পাখির ডাক। হিমেল হাওয়ায় শুকনো পাতা ওড়ার সড়সড় শব্দ ভেসে আসছে কখনো। ঘুম আসছিল না দীপের। রাতের অন্ধকারে নির্জনতার স্বাদ নিতে নিতে লখানীর একফালি দাওয়ায় বসে দীপ ভাবছিল, আবার ফিরে আসতে হবে এখানে, এই মুড়োই গ্রামে। প্রিয়জনের কাছে বারেবারে ফেরা যায়, ফিরতেই হয়। আর যদি কখনো কোনদিন না ফেরা হয় তবে দমবন্ধ করা শহরের ভিড়ে বা কোন এক মেঘলা দুপুরে বা কখনো কোন এক সোনাঝরা সন্ধ্যায় হঠাৎ কোন এক ভালো লাগার মুহূর্তে তার ভেতরে জেগে থাকবে এই অলৌকিক নির্জনতা, আর অপার্থিব সৌন্দর্যে মোড়া অজানা, অথচ বড় আপন এক টুকরো ভারতবর্ষ।



নীড়বাসনা আষাঢ় ১৪২৮