• মিঠু নিয়োগী

কবিতা - কাঁটাতার ও বারান্দা

কাঁটাতার

ঠিক যেমন করে বাঁচার কথা ছিল, তেমন করে কেউ বাঁচে না। নদী ও দ্যাখো,খাত পেলেই দুদ্দুড়িয়ে ধায়_ ভাবেই না,ঠিক ওমনি করে , ওই পথেই তার যাবার কথা ছিল কিনা। নেহাৎ সাগর নিকৃষ্ট, তদুপরি অধম, তাই নদীজল পৌঁছেই যায় , একদিন নির্দিষ্ট ঠিকানায়। তুমি সীমান্তে দাঁড়িও অপেক্ষায়, এইসব বধ্যভূমি শ্মশান আর ভাগাড় পেরিয়ে_ হয়তো একদিন আমিও........ রক্ত দেখে ভয় পেওনা যেন, সীমাহীন কাঁটাতারও অনায়াসে পেরিয়েছি জেনো। প্রিয় গন্তব্য আমার_॥

বারান্দা

কোমরের কাছে যে ছোট্ট তিলটি ছিল,সে কই? কাকে দিয়ে এলে রাই?? _সে আমার স্বামী। রাত শেষ,এইবার যাই? তোমার বাঁশীটি দিয়ে যাও। এ শুধু আমার। দিয়ে দ্বারকা নগরী যাও। জেনো,অরণ্যেরও আছে অধিকার। _অরণ্য বোলো না সই। _অরণ্য বইকি! নগরীর কুঠুরি তো নয়! বড় জোর বারান্দা__ বলেছে সমাজ__আমাদের এ প্রণয়। তবু আছে ঘর, বারান্দা ও আছে। অতলান্ত, অশেষ বিবর...... মানুষ রয়েছে তারপর॥

নীড়বাসনা আষাঢ় ১৪২৮