• সুমন্ত চক্রবর্তী

কবিতা - অস্তরাগ

সেই মেয়েটি হতাশ এবং ভাঙ্গা মনে,

দাঁড়িয়ে ছিল ঘর দরজায়।

মুখটা ব্যথায় কাহিল এবং কালো ছিলো-

অপমানের লাজ লজ্জায়।

যে ছেলেটি প্রেমিক সেজে,

ভুলিয়েছিল তাকেই সে যে,

একমাত্র গভীর এবং নিবিড়

ঘেরে ভালবাসায় - সব ছুঁতে চায়।

একমাত্র তার হৃদয়েই - সব আঁধারেই,

প্রেম জোনাকির আলো হয়ে পৌঁছুতে চায়।

আজকে সে তার আসল মুখোশ

খসিয়েছে - সে দেখিয়েওছে;

তার ভাবনার ভুল, একগাদা দোষ।

রাতারাতি সে নেহাতই ‘একটি মেয়ে’

পথের কাঁটা বা যন্ত্রণা;

আজকে তার পথেতে চেয়ে; অপেক্ষাতে

অন্য মানুষ, অন্য জনা।

পাহাড় প্রমাণ প্রবঞ্চনার,

সেই যাতনার;

চূড়ান্ত সেই ঝগড়াঝাঁটির,

অভিশাপ আর কান্নাকাটির,

সকল পালা সাঙ্গ করে ভগ্ন মনে-

সেই কন্যে,

দাঁড়িয়েছিলো একটি কোণে চুপটি করেই।

হঠাৎ করেই ঝাপটাখানি এলো উড়েই,

কিজানি তা ছিল কিসের ?

এলো কে সেই - এলোকেশেই কন্যার সেই

মনে হলো তীব্র জ্বালা, মুখখানিকে ফালা ফালা-

করছে সে কি সর্প বিষের।

ঝড়ের গতির এক সাইকেল, লজ্জায় লাল ক্লান্ত বিকেল-

ইঙ্গিত দেয় আবার একটি ‘অনির্দিষ্ট’ ‘দিনের শেষের’।

আরও একটি জীবন শেষের... ??????

নীড়বাসনা আষাঢ় ১৪২৮