• শ্যামলী দাস

ছড়াক্কা-ছয় ঋতুর ছড়াক্কা

ছয় ঋতুর ছড়াক্কা- (অন্ত্যাক্ষরীতে)

গ্রীষ্ম #

গ্রীষ্মের রোদ্দুরে কে সি পাল ভরসা বাঁচবেনা জেনো মাথা থাকলে না সাথে ছাতা তাই ভাই শিগগিরই ছাতা কিনে ফেরো বাড়ি বেকার হবেনা কেনা, সামনেই বরষা ।

বর্ষা #

বর্ষায় ভারী খুশি ও পাড়ার ভরত বৃষ্টির সন্ধ্যায় গজলেতে ডুবে যায় সুমধুর সেই গান শুনে ভরে ওঠে প্রাণ সংগতে কে থাকে?ছোট ভাই শরৎ।

শরৎ # শরতের আগমনে সতেজ এ মন তো অশান্ত আনচান ঘরে ফেরা, পিছুটান একখানে সব্বাই হুল্লোড়ে মাতা চাই শিশিরকে সাথে নিয়ে আসবে হেমন্ত ।

হেমন্ত #

হেমন্তে পাকাধান, নবান্ন-গীত মিঠে খেজুরের রস খেলে শত্রুও বশ কুয়াশা চাদর গায় গুটিগুটি ধীর পায় পিঠেপুলি ভরা ঝুলি কাঁধে আসে শীত ।

শীত #

শীত বানানেতে 'ত', নয়কো হসন্ ত দুটি অক্ষরে গড়া বানান একটু কড়া শীত মানে লেপ-কাঁথা ঢাকা চায় কান-মাথা ঠকঠক কাঁপা শেষ আসলে বসন্ত ।

বসন্ত #

বসন্তে মনোলোভা প্রকৃতির দৃশ্য ফুলেদের জলসায় মৌমাছি গেয়ে যায় উতলা বাতাসে মন উন্মনা অকারণ কোকিলের ক্লান্তি ডেকে আনে গ্রীষ্ম ।

কবি পরিচিতি - শ্যামলী দাস পেশায় শিক্ষিকা, শিলিগুড়িতে থাকেন। উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে বাংলা বিষয় পড়ান। নেশা লেখালেখি। একটা ষান্মাসিক সাহিত্য পত্রিকা (লিটল ম্যাগাজিন, 'ঘোড়সওয়ার' ) এর সম্পাদনা করেন। কবিতা পড়তে ভীষণ ভালোবাসেন। অন্ত্যমিলের ছড়া, ছড়াক্কা, পদ্য লিখতে বেশি পছন্দ করেন।

নীড়বাসনা আষাঢ় ১৪২৮