• অনন্যা ব্যানার্জি

গল্প - কোথায় গেল কেয়া?


"দিদি, কেয়াকে পাচ্ছি না কোথাও। সারা পার্ক দেখলাম। কোথাও নেই কেয়া।" - উদ্বিগ্ন শোনায় মীরা মাসীর গলা।

"সেকি? তুমি কেয়াকে খেলতে পার্কে নিয়ে গেলে, আর এখন কেয়া নেই। তা কি করে সম্ভব? তুমি কোথায় ছিলে? - রাগত গলায় প্রশ্ন করে মিসেস করবী পাল, কেয়ার মা।

"দিদি, আমি তো সামনে বসে ছিলাম। কেয়া দৌড়ে দৌড়ে খেলছিল। আমার নজর ছিল। মিথ্যে বলবোনি, বসে বসে একটু হোয়াটস অ্যাপ দেখছিলাম, ওমা চোখ তুলে দেখি কেয়া নেই।" এবার ভয়ে কাঁপছে মীরা মাসী।


"দাঁড়াও কেঁদো না। তুমি খুঁজতে থাকো। এদিক ওদিক থাকবে কেয়া। ছয় বছরের মেয়ে একা একা যাবে কোথায়? আমি পৌঁছচ্ছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। খবর পেলে কল করবে। ফোন হাতে রাখবে।" - গড়গড় করে কথাগুলো বলেই হাতে হাতে ল্যাপটপ বন্ধ করে ব্যাগ ও গাড়ির চাবি নিয়ে বেড়িয়ে পড়ে করবী অফিস থেকে।


কেমন যেন দিগ্বিদিক-শূন্য লাগছে করবীর। এইরকম লেগেছিল করবীর যেদিন প্রথম অনিমেষের দেশের জন্য শহীদ হওয়ার খবর এসেছিল। হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে গিয়েছিল করবীর সেদিন। পতাকায় মোড়া কফিনটা যখন এসে আর্মির সবাই গাড়ি বারান্দায় রাখলো, করবীর শেষবারের মত দেখার ক্ষমতা ছিল না সেই দৃশ্য। কেয়াকে আঁকড়ে ধরে বসেছিল সে পাথরের মত। নিজের প্রতি ভাগ্যের এই পরিহাস যেন কটাক্ষ করছিল তার জীবনকে। সেদিন থেকে করবীর বেঁচে থাকার একমাত্র সম্বল এই কেয়া।


কেয়ার মধ্যে অনিমেষকে ও যেন কাছে পায় সে। আর কেয়ার স্বভাবটাও পুরোপুরি অনিমেষের মত। সেই হাসি, সেই কথা বলা। অচেনা লোককে নিমেষে আপন করে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে ছোট্ট কেয়া। অনেক বোঝালেও ফল হয়না তেমন। বাবার মত মেয়েও যে একই শিক্ষায় দীক্ষিত -" সকলের তরে সকলে আমরা।প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।"


ভাবতে ভাবতে বার বার চোখ দুটো ঝাপসা হয়ে আসছে করবীর। মনে মনে পরমেশ্বরকে জানাচ্ছে এক নিরুপায় মা আজ -"আর কষ্ট দিও না, আমাকে। যেখানে আছে কেয়া, ওকে ভাল রাখো, সুস্থ রাখো। ফিরিয়ে দাও আমার সন্তানকে তার মাতৃক্রোড়ে। এ জীবনে আর দুঃখ সহ্য হয়না, আমার।"


ফোক্সভ্যাগনটা এসে দাঁড়ায় পার্কের গেটে। ম্যাডামকে দেখে মাসী ছুটে আসে। "ম্যাডাম, কোথাও নেই কেয়া। আমি সবদিক হন্যে হয়ে খুঁজছি এতক্ষণ।" সত্যি হাঁপাচ্ছে মীরা মাসী।

"আন্টি, আন্টি, কেয়াকে আমি দেখেছি। গল্পদাদুর সঙ্গে পার্ক থেকে বেরোতে। আমাকে টাটা করে দৌড়ে চলে গেল। দাদুও দৌড়চ্ছে কেয়ার পেছনে।" - করবীকে দেখে দৌড়ে এসে জানায় তাদের আবাসনের পাশের বাড়ির ছেলে, মৈনাক। মৈনাক ও কেয়া এক স্কুলে পড়ে।ভাল বন্ধু একে অপরের।

"গল্পদাদু কে?" - বিস্ময়ের সঙ্গে প্রশ্ন করে করবী।

এবার মুখ খো‌লে মীরা মাসী। "ম্যাডাম, সত্তর-বাহাত্তর বছরের বৃদ্ধ এই গল্পদাদু। রোজ বিকেলে আসে পার্কে সময়মত, সাড়ে পাঁচটা নাগাত। সব বাচ্চাদের খুব ভালবাসেন উনি। বাচ্চারাও গল্পদাদুর ভক্ত এক একজন। খেলা ফেলে রোজ ওই অশ্বত্থ গাছের নীচের বেঞ্চিতে বসে উনি শোনান সকলকে নানা গল্প। কেয়া ওনার আবার একটু বেশী ভক্ত। আজকাল তো স্কুল থেকে ফিরে অবধি কখন পার্কে যাবে তার হিসেব করে কেয়া।"

"সবই তো বুঝলাম। ওনার আসল নাম কি? আর কেনই বা তুমি অচেনা অজানা কারুর সঙ্গে কথা বলতে দাও কেয়াকে? আমাকে এসব জানানোর ও প্রয়োজন মনে করো না,মাসী!!" রাগ ও কান্না মেশা গলায় বলে করবী।


"নাম তো জানি না। কি করবো আমি? কারুর কথা কি শোনে ওই দস্যি মেয়ে আপনার? সেদিন কথা বলতে মানা করায়, এই দেখুন কেমন হাতে কামড়ে দিয়েছিল। এখন ও দাগ যায়নি। আপনাকে বলিনি পাছে আপনি বকাবকি করেন ছেলেমানুষকে।" - বলতে বলতে মীরা মাসী হাতের ক্ষতটা দেখায় ম্যাডামকে।

কিরকম পাগল পাগল লাগছে করবীর। কোথাও নেই মেয়ে। আর কেউ জানে না সে কোথায়,কার সাথে,কেমন আছে। মাথাটা ঘুরছে দেখে করবী বসে পড়ে সামনের বেঞ্চে। একটা আশার আলো সঞ্চারিত হয়েও প্রকাশের আগেই নিভে গেল।


মাথায় শুধু কুচিন্তা আসছে। এইতো সেদিন খবর পড়েছে সদ্যোজাত শিশুর রেপ। আর বাচ্চাদের অপহরণের খবর তো যেন আজকাল জলভাত। করবী ভাবে -"তাহলে কি এই গল্পদাদু ওই রকম কোন গ্যাং এর সঙ্গে জড়িত? এইরকম লোককেই তো সামিল করে অপহরণকারীরা তাদের গ্রুপে। বাচ্চা ও অভিভাবকদের সন্দেহ হওয়ার কারণ কম বেশী বয়সী এই বৃদ্ধদের।"

ভাবতে ভাবতে করবী আপন মনে শিউড়ে ওঠে। "বসে থাকলে হবে না। কাজ করতে হবে।"


মাসীকে নিয়ে সে পৌঁছায় তার ফ্ল্যাটে। বলে "মাসী, তুমি এখানে বসো। কেয়া বাড়ি এলে আমাকে কল করবে সঙ্গে সঙ্গে। আমি থানায় যাচ্ছি" - বলেই ব্যাগ রেখে বেরিয়ে যায় করবী।

এবার আবার গাড়িতে বসে মায়ের মন বলে "এসবে মাসী জড়িয়ে নেই তো? তাহলে তো এখানকার সব খবর যাচ্ছে অপহরণকারীদের কাছে।"

গাড়ি থামিয়ে গেটে কেয়ারটেকারকে বলে করবী -"আমি না ফেরা পর্যন্ত কোনভাবে মাসীকে বাড়ি যেতে দেবে না। দরকারে আমাকে কল করবে।"

"কি হয়েছে ম্যাডাম?" - কেয়ারটেকার জিজ্ঞাসা করে।

"ও কিছু না। পরে বলবো।" - বলে বেরিয়ে যায় করবী।


পুলিশ স্টেশনে সে এসেছে এই প্রথম। একটু ভয় ভয় করছে। তাও সামনের টেবিলে পৌঁছে করবী সবকিছু জানায় থানায়। সবকথা শেষ হওয়ার আগেই পুলিশ জানায় "একদিন সময় অতিবাহিত না হলে মিসিং ডায়রি করা যায়না। কিন্তু আপনি মেয়ের একটা ছবি রেখে দিয়ে যান এখানে। দেখছি কি করা যায়। ততক্ষণ আপনি ওর বন্ধু ও আত্মীয়দের বাড়িতে খোঁজ নিন কোথাও গেছে কিনা আপনার মেয়ে। আর খবর পেলেই এই নম্বরে জানাবেন। এত ভাববেন না। চলে আসবে আপনার মেয়ে।"


"আমার ছয় বছরের মেয়ে একা একা কাউকে না বলে কোথায় যাবে?" - বলতে গিয়ে ও কথাগুলো গিলে ফেলে করবী। কথাগুলো আজ যেন তাকেই কটাক্ষ করছে আজ। আঙুল তুলছে তার পেরেন্টিং এর দিকেও।


নিরাশ হয়ে বাড়ি পৌঁছে পুলিশের কথামত ফোনটা চার্জে লাগায়। কারণ কোন খবর থাকলে, ফোনেই আসবে। এবার বাড়ির মোবাইল থেকে একে একে করবী কল করতে থাকে কেয়ার সব বন্ধুদের। আবাসন ও স্কুল মিলিয়ে প্রায় কুড়ি জনকে কল করে নিয়ে ও কোন খবর পায়না সে কেয়ার।

এবার হঠাৎ দরজায় বেল। দরজা খুলে দেখে করবী, সামনে দাঁড়িয়ে সত্তর বছরের এক বৃদ্ধ। ওনার কোলে নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে কেয়া। কেয়াকে দেখে যেন প্রাণ ফিরে পায় করবী। ছিনিয়ে নেয় কেয়াকে ভদ্রলোকের কোল থেকে। ততক্ষণে মাসী ও এগিয়ে এসেছে।

"আপনার এত বয়স হয়েছে, কোন বোধ নেই। বাচ্চাকে নিয়ে কোথায় গিয়েছিলেন কাউকে না জানিয়ে" - রাগত কণ্ঠে প্রশ্ন করে মাসী ভদ্রলোককে।

"না মানে। আমার একটু ভুল হয়ে গেছে। কেয়া জেদ করায়, আমি ভাবি সামনের মলে একটু ঘুরিয়ে ওকে পার্কে আবার ছেড়ে দেব আপনার কাছে।" - আমতা আমতা করে বলেন ভদ্রলোক।

"আপনি সত্যি খুব ভুল করেছেন, আমার খুব চিন্তা হয়ে গিয়েছিল কেয়াকে খুঁজে না পেয়ে।আমি পুলিশে পর্যন্ত গেছি মেয়ের খোঁজে" - বলে করবী।

"আমাকে ক্ষমা করবেন, ম্যাডাম। সত্যি এতটা বাড়াবাড়ি হবে বুঝিনি। আমি সুধাংশু সান্যাল। পেশায় টিচার ছিলাম। ফলে বাচ্চারা বরাবর আমার বড় প্রিয়। আর আপনার মেয়ে কেয়া তো এত মিষ্টি স্বভাবের, আমি বলে বোঝাতে পারবো না। আমি কখন কিভাবে যে কেয়ার এত বন্ধু হয়ে গেছি,তা আমি নিজেও টের পাইনি। আজ মলে সময় কেটে গেছে এতটা তা বুঝতে পারিনি আমরা দুজনেই। আর তার ওপর আমার মোবাইলটা চার্জের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।তাই বাড়িতে ও ফোন করতে পারিনি। তা না হলে আমার স্ত্রী আপনাকে কোনভাবে খবর পাঠাতেন ঠিক।" - বলে চলেন সুধাংশু বাবু, ওরফে কেয়ার গল্পদাদু।


"এই দুটো ব্লক পরে আমি থাকি, আমার স্ত্রী নির্মলাদেবীর সঙ্গে। মেয়ের বিয়ে হয়ে সেটেল্ড ক্যানাডাতে। তার সঙ্গে রোজ স্কাইপ কল আর ফোনে কথা হলে ও মন মানে না। আকুল হয়ে দুটি প্রাণী অপেক্ষায় থাকি "কবে মেয়ে জামাই, নাতি নাতনি আসবে। এই বয়সে স্নেহের স্পর্শ পেতে চায় একাকী এই মন। তাই তো নিয়ম করে প্রতিদিন পার্কে যাই এই কচিকাঁচাগুলোকে দেখবো বলে,ওদের সঙ্গে একটু সময় অতিবাহিত করবো বলে।" - এইটুকু বলে থামেন ভদ্রলোক।


করবী ওনাকে এবার ভেতরে ডেকে বসায় সোফায়। মাসী জল এনে দেয় ওনার হাতে। এক ঢোকে পুরো জলটা শেষ করে উনি বলেন -"একাকীত্ব যে কতটা যন্ত্রণাময়, তা আমি আজ বুঝি। আপনি আমার মেয়ের মত। তাই বলছি। কেয়ার মুখের আদল একদম আমার মেয়ের ছেলেবেলা মনে করিয়ে দেয়। ওর মধ্যে আমি যেন শম্পাকে খুঁজে পাই। শম্পাও ছোটবেলায় গল্প শুনতে খুব ভালবাসত। তাইতো আজ মলে ঘুরতে যাওয়ার ওর অনুরোধটা ফেলতে পারলাম না। তবে প্লীজ ওকে বকবেননা আপনি। এসব আমারই ভুল। নিজের খুশীকে একটু বেশী বড় করে দেখেছিলাম আমি। তাই আপনার এত হেনস্থা।" এবার হাত জোড় করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন বৃদ্ধ।


করবী চুপ করে শুনছিল এক বাবার ও দাদুর দুঃখ-গাথা। এর মধ্যে কখন কেয়ার ঘুম হাল্কা হয়ে গেছে,দুজনের কেউ খেয়াল করেনি।


কেয়া উঠে মায়ের কোল থেকে নেমে দৌড়ে যায় তার গল্পদাদুর কোলে। অশ্রুজলে ভেজা কুঁচকানো চামড়ার গালে চুম্বন এঁকে দিয়ে কেয়া বলে -"গল্পদাদু, আই লাভ ইউ। আইসক্রিম, গেমস সবকিছু মিলিয়ে আজকের সন্ধ্যা ওয়াজ এমেজিং। ওয়েন উইল উই গো এগেন?"


"তা যাব বন্ধু, আরেকদিন তোমার মা আর দিদাকেও সঙ্গে নেব সেদিন। দে ফিল জেলাস, ইউ নো"। - বলেন সুধাংশুবাবু। আরো বলেন উনি করবীকে -"দেখুন না, আমার ফোনটার ব্যাটারি শেষ। আপনার ফোন থেকে আমার গিন্নীকে একটা কল করতে দেবেন? তেনার ও এখন অব্দি খারাপ অবস্থা হয়ে গেছে। ফোন পেলে একটু ভরসা পাবে।"

করবী উঠে গিয়ে ফোনটা বাড়িয়ে দেন সুধাংশুবাবুর দিকে। কথাবার্তা শুনে আন্দাজ করতে পারে ওদিক থেকেও বেশ বকাবকি খাচ্ছে কেয়ার গল্পদাদু। আরেকটু আলাপ পরিচয়ের পরে শুভরাত্রি জানিয়ে চলে যান কেয়ার গল্পদাদু নিজের বাড়িতে।



রাতে শুয়ে মেয়ে জানায় করবীকে তাদের সুন্দর কাটানো সন্ধ্যার গল্প। দুই অসমবয়সী বন্ধু মন খুলে প্লে-জোনে আজ খেলেছে বাস্কেট বল, সুধাংশুবাবু হাঁটুর ব্যথা সত্ত্বেও চালিয়েছেন খেলার বাইক আর প্রাণভরে দুই বন্ধু দেখেছে ফোর-ডি মুভি। দাঁত ব্যথা সত্ত্বেও দাদু খেয়েছেন কেয়ার পছন্দের রেনবো আইসক্রিম। সময় যে কি করে কেটে গেছে আজ তা সত্যি বুঝতে পারেনি গল্পদাদু ও তার প্রাণের বন্ধু।


করবী ভাবে আর এই মীরা মাসীর ভরসায় সে রাখবে না কেয়াকে, আজকের ঘটনার পরে। এবার থেকে একটা ডে-কেয়ারে রাখবে কেয়াকে বলে ঠিক করে করবী। আজ সুধাংশু বাবু না হয়ে অন্য কোন লোকের হাতে পড়লে কি হত তার ফুলের মত মেয়ের, তা ভেবেই কেঁপে উঠছে করবীর মন। সুধাংশুবাবু ও কেয়ার কথা ভাবতে ভাবতে কোথায় যেন নিজের বাবার প্রতিচ্ছবি দেখে করবী এই বয়স্ক ভদ্রলোকের মধ্যে।

"হয়তো নিঃস্বার্থ ভালবাসা বা বন্ধুত্ব একেই বলে, যা আজকের যুগে বড় বিরল" - ভাবতে ভাবতে চোখে ঘুম নেমে আসে ক্লান্ত করবীর।




লেখক পরিচিতি - লেখিকা অনন্যা ব্যানার্জী, বর্তমানে পুণাতে থাকেন নিজের পরিবারের সঙ্গে। সাহিত্যের ছাত্রী না হলেও, লেখা শুরু করেছিলেন শুধুই শখে আর অবশ্যই মাতৃভাষাকে ভালবেসে। তারপর নিজের অজান্তেই সৃষ্টির হাত ধরে, কবে যেন নিজের মনের সুপ্ত ভাবনা ও কল্পনারা ডানা মেলে উড়ে গেছে আপন ছন্দে। স্কুলের ম্যাগাজিন, ডায়েরির পাতা ছাড়িয়ে নীড়বাসনার হাত ধরেই অনন্যার লেখা প্রথম প্রকাশিত হয়। তারপর থেকে তাঁর লেখা গল্প স্থান করে নিয়েছে অনেক পত্রিকা, ই-বুকে ও ফেসবুকের নানা সাহিত্য চর্চার গ্রুপে এবং সম্মানিত হয়েছে বহুবার এই গ্রুপগুলিতে। অনন্যার ফেসবুক পেইজ -"জীবনের পথে - সাথে অনন্যা" তে সঙ্গে রয়েছেন তেরশো চল্লিশের কাছাকাছি বন্ধু ও সদস্যদের। তাঁর লেখা শতশব্দের গল্প, অণুগল্প, সামাজিক, ভৌতিক ও রম্য রচনা এসবই গড়ে তোলে তাঁর সঙ্গে পাঠকের এক যোগসেতু, আর সেটাই আজকের দিনে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।


নীড়বাসনা আষাঢ় ১৪২৮