• সৃজা

অনুবাদ নিজস্বী

The Peep

- Srija M.


There was a spark in his eyes

Only a few days back.

Playing with his grandparents in their garden.

The tiny creatures peeping through the hedge

Surrounding the garden.

But now, the tot standing behind the window.

Alas! Contagion! Nailed his smile.

His eyes in floods of tears.

His grandparents in isolation,

Fighting their last battle.

His parents in quarantine.

His pets in pet care centre.

He, home quarantined.

Counting days and hours to meet his dear ones.


Tears rolling down his eyes.

Eyes fixed on the entrance gate.

Suddenly, he noticed the chipmunks

Chip-chip and speaking to him

Outside the window.

The birds in the trees empathising his glum.

The growing chicks peeping from their nest,

Trying to greet him, enjoying their first sight.

He noticed the birds feeding their chicks

Just like his mother fed him everyday.


His eyes fell on the glittering leaves of the tree.

The nest shining gold.

The chirping of the birds filled the air.

No vehicle in the street.

He breathed fresh air.

He doesn't need the air purifier or nebulizer

For inspiration and expiration.


He missed the affection of Homo sapiens,

But he felt the warmth of the Sun,

The mighty savior with a glimmer of hope.

He will grow up, become a scientist.

Save the environment, Save the mankind.

A silver lining bordering the cloud.




বাতায়ন​

- সৃজা


ছোট্ট খোকার উজ্জ্বল চোখ,

মাত্র কয়েকদিন আগে।

ওদের বাগানে ওর দাদু-দিদার সাথে খেলত।

ঝাড়ের ফাঁকে উঁকি মারত ক্ষুদ্র প্রাণী সব,

বাগানটিকে ঘিরে।

কিন্তু এখন, সে নির্বাক চিত্তে জানালার পিছনে দাঁড়িয়ে। হায়! ব্যাধি! সংক্রমণ! নিষ্পাপ ম্লান হাসি।

অশ্রুধারায় তার চোখ রাঙা।

একলা ওর দাদু-দিদা, জীবনের শেষ সংগ্রাম।

পিতা মাতা কোয়ারেন্টাইনে।

একলা সে গৃহে বন্দি।

জানালার ধারে, ঠিক যেন ডাকঘরের অমল।

দিন গুনছে প্রিয়জনের সাথে দেখা করবে কবে।

চোখের জল গড়িয়ে পড়ছে।

প্রবেশদ্বারে চোখ স্থির।

খেয়াল করল ছোট্ট একটি কাঠবেড়ালি কথা বলছে জানালার বাইরে,

গাছের পাখিরা ওর ব্যাথা বুঝেছে।

ছানাগুলো তাদের নীড় থেকে উঁকি মারছে, তাদের প্রথম দৃষ্টি উপভোগ করে, খোকাকে বরণ করার চেষ্টা করছে।

খোকা লক্ষ্য করল, পাখিরা তাদের ছানাগুলিকে খাওয়াচ্ছে ঠিক যেমন ওর মা ওকে খাওয়াতেন।

চোখ পড়ল গাছের চিকমিকে পাতায়।

নীড় যেন চকচকে সোনা।

বাতাসে ভরা পাখির কিচিরমিচির, প্রকৃতির মায়াজাল।

রাস্তায় কোনও যানবাহন নেই, নেই কোনো কোলাহল।

সতেজ সমীরণ।

হোমো সেপিয়েন্সের স্নেহ মিস করেছে,

তবে সূর্যের উত্তাপ অনুভব করতে পেরেছে,

আশার কিরণ, শক্তিশালী ত্রাণকর্তা।

সে বড় হবে, বিজ্ঞানী হবে।

পরিবেশ রক্ষা করবে, মানবজাতিকে বাঁচাবে।

মেঘের আবরণ ছিঁড়ে বেড়িয়ে আসবে তার জ্ঞান।

লেখক পরিচিতি - ভ্রমণ নেশা, ইঞ্জিনিয়ারিং পেশা। বই পড়া, কবিতা লেখা, ছবি তোলা, বেহালা, রবীন্দ্রসঙ্গীত শখ। দৈনন্দিন জীবনের অভিজ্ঞতার থেকে লেখার অনুপ্রেরণা পায় সৃজা।



নীড়বাসনা আষাঢ় ১৪২৮